গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেট-৬ আসনের অন্তর্ভুক্ত গোলাপগঞ্জ উপজেলার আমুড়া ও বুধবারীবাজার ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মিতব্য শিকপুর-বহরগ্রাম সেতুর কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে তিনি পরিদর্শনে যান।
এসময় স্থানীয় জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এমপি এমরান আহমদ। তিনি বলেন- স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বপ্নের এই সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে যাদের ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে এবং যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হবে- সরকার সকল কাগজপত্র যাচাই করে ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করবে।
এমপি আরও বলেন- উন্নয়নের জন্য কেউ না কেউ ছাড় দেন, কিন্তু সেটার উপকার পান হাজার হাজার মানুষ। আর সেটা আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকে। এই ব্রিজ নির্মাণের কাজ শেষ হলে সিলেট থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলার দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার কমে যাবে। এছাড়া পুরো সিলেট-৬ আসনের মানুষ এর সুফল ভোগ করবেন।
এলাকার যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে উল্লেখ করে এমরান আহমদ চৌধুরী বলেন- অর্থনৈতিকভাবেও এ অঞ্চলের মানুষ লাভবান হবেন। জায়গা-জমির দাম বাড়বে, এলাকার বেকার যুবক-তরুণদের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সেতুর কাজ পরিদর্শনাকালে উপস্থিত ছিলেন- চিফ কনসালট্যান্ট আব্দুস সামাদ,
উপজেলা প্রকৌশলী ইউসুফ হোসেন খান, জেলা বিএনপি নেতা মহিউস সুন্নাহ চৌধুরী নার্জিস, আমুড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ হাছিন আহমদ মিন্টু, বুধবারীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি
নোমান উদ্দিন মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জল, বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজা আহমদ, গোলাপগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মশিকুর রহমান মহি, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এম সিরাজুল ইসলাম, ছালিক আহমদ চৌধুরী, আমুড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রুহেল আহমদ, পৌর বিএনপি নেতা মিনহাজ আহমদ চৌধুরী, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এনামুল হক এনাম, সাধারণ সস্পাদক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, সাংবাদিক ইমরান আহমদ, সাকিব আল মামুন, ইউপি সদস্য আব্দুল গফ্ফার কুটি, গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ছবেদ আলী, প্রজেক্ট ম্যানেজার আশিকুর রহমান, বিএনপি নেতা এস এ রিপন, শাহজালাল উপশহর কল্যাণ পরিষদের সহসাধারণ সম্পাদক দিদার হোসেন রুবেল প্রমুখসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত নির্মাণাধীন সেতুর ৪০টি পিলারের কাজ শেষ হয়েছে। ২০২৮ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ব্রিজের।
এদিকে, ব্রিজের কাজের অগ্রগতির জন্য স্থানীয়রা এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তারা বলেন- জায়গা অধিগ্রহণ নিয়ে মানুষের পাওনা আদায়ে সাংসদ এমরান আহমদ চৌধুরীর সোচ্চার ভূমিকা আমাদেরকে আশান্বিত করেছে।
মন্তব্য করুন